- আজ শনিবার
- ১৫ই চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
- ২৯শে মার্চ ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
- ২৬শে রমজান ১৪৪৬ হিজরি
গাজীপুর টিভি ডেস্ক | ২৩ মার্চ ২০২২ | ১২:৫৯ অপরাহ্ণ
গাজীপুরের কাপাসিয়ায় প্রেমের সম্পর্কের জেরে স্কুলছাত্র সানাউল্লা সরকার হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ড ও যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তদের আপিলের ওপর শুনানি শেষ হয়েছে। এ বিষয়ে রায় ঘোষণার জন্য আগামী ২৯ মার্চ দিন ঠিক করেছেন হাইকোর্ট।
রাষ্ট্র ও আসামি উভয়পক্ষের শুনানি শেষে মঙ্গলবার (২২ মার্চ) হাইকোর্টের বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহ ও বিচারপতি মো. আতোয়ার রহমানের অবকাশকালীন বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
আদালতে আজ আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী আবুল হোসেন ও গোলাম আব্বাস চৌধুরী দুলাল। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ড. মো. বশির উল্লাহ।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ড. মো. বশির উল্লাহ।
মামলার বিবরণে জানা গেছে, পারিবারিক বিরোধ ও যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আনোয়ারা বেগমের মেয়ের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কের জের ধরে উপজেলার ঘাগটিয়া গ্রামের জসিম উদ্দিনের ছেলে সানাউল্লা সরকারকে ২০০১ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের ভাই আসাদুজ্জামান বাদী হয়ে কাপাসিয়া থানায় মামলা করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দায়ের করে।
এরপর বিচার শুরু হলে দীর্ঘ শুনানি ও উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে ২০১৬ সালের ৯ আগস্ট গাজীপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ১ম আদালতের বিচারক ফজলে এলাহী ভূঁইয়া রায় ঘোষণা করেন।
বিচারিক আদালতের রায়ে ছয়জনকে মৃত্যুদণ্ড ও তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দেন আদালত। একই সঙ্গে সব আসামিকে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়।
ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- উপজেলার ঘাগটিয়া গ্রামের রফিকুল ইসলাম, আতিকুল ইসলাম, আলম শেখ, সেলিম শেখ, নয়ন শেখ ও আনার হোসেন শেখ। এছাড়া যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিতরা হলেন- আনোয়ারা বেগম, আব্দুল মোতালেব ও শেখ শামসুদ্দিন।
পরে নিয়ম অনুযায়ী মৃত্যুদণ্ডাদেশ অনুমোদনের জন্য ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে পাঠানো হয়। পাশাপাশি আসামিরা জেল আপিল ও আপিল আবেদন করেন।
ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ড. মো. বশির উল্লাহ বলেন, বিচারিক আদালতে রায়ের পর আনোয়ারা বেগম ও আলম শেখ মারা গেছেন।